সঠিক বিচার করছি বলেই অপরাধীরা জেলে

662

সুশাসনের স্বার্থে অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকার নিজ দলেরও কাউকে ছাড় দিচ্ছে না।
শুক্রবার (২১ মে) ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন,বিএনপি মহাসচিব আন্দোলনের কথা বলছেন, কিন্তু আন্দোলন করার মতো শক্তি ও সামর্থ্য কি তাদের আছে? যারা দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির জন্য একটা মিছিল পর্যন্ত করতে পারেনি তাদের মুখে আন্দোলন সংগ্রামের কথা মানায় না। বিএনপির আন্দোলনে জনগণ এখন আর সাড়া দেয় না। তাদের আন্দোলনের ডাক আষাঢ়ের তর্জন-গর্জনই সার।’

জনগণ সরকারের পাশে নেই’ মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন,নির্বাচনই যদি মাপকাঠি হয় তাহলে সাম্প্রতিককালের প্রায় সব নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ই প্রমাণ করে এদেশের মানুষ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের সাথে আছে।’

তিনি বলেন, ‘পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন যথাসময়ে হবে এবং তখনই প্রমাণিত হবে এদেশের জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের সাথে আছে কী নেই। বিএনপির গলাবাজি করলেই সরকার জনবিচ্ছিন্ন হবে না। এদেশের ইতিহাসে বিএনপির মতো ব্যর্থ বিরোধী দল একটিও নেই। আওয়ামী লীগের শিকড় এদেশের মাটি ও মানুষের অনেক গভীরে। প্রতিটি দুর্যোগ-দুর্বিপাকে আওয়ামী লীগই সর্বপ্রথম মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা সরকারকে জনগণের সরকার অভিহিত করে বলেন, ‘জনগণের সমর্থন নিয়েই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’
সাম্প্রতিককালে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও বিভিন্ন উপনির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবিই প্রমাণ করে জনগণ তাদের সাথে নেই উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন,তারা জনগণকে দ্বারা প্রত্যাখ্যাত এবং তাদের নেতিবাচক রাজনীতির কারণে জনগণের থেকে বিচ্ছিন্ন।’

তিনি বলেন, ‘দেশে এখন অন্ধকার নেই বরং বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় যে অন্ধকারে রেখে যায়, সেখান থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন আলোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে। করোনার ধাক্কা সামলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন গতিশীল। করোনা সংকটেও জনগণের মাথাপিছু আয় ২২২৭ ইউএস ডলারে পৌঁছেছে।’

‘গণমাধ্যমে যেন দুর্নীতি প্রকাশ না পায় সেজন্য গণমাধ্যমের ওপর আঘাত এনেছে সরকার’, বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তাহলে বিএনপি আমলের সাংবাদিক শামসুর রহমান, মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালুসহ বেশ কিছু সাংবাদিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, এজন্যই কি তাদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল?’

তিনি প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, ‘তাহলে কি বিএনপি তাদের দুর্নীতি ঢাকতেই এসব সাংবাদিকদের নৃশংসভাবে হত্যা ও নির্যাতন করেছিল? শেখ হাসিনার সরকার কোনও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর ও সুস্পষ্ট।

চ্যানেল উগান্ডা

প্রতিবেদন সাংবাদিক ডন