ফিলিস্তানে ছাত্রলীগ পাঠাতে চেয়েছিলামঃকাদের

1295

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন ফিলিস্তানে পরিস্থিতি এমন হয়েছিলো ছাত্রলীগ ছাড়া পরিস্থিতি সামলানো উপায় ছিলোনা বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। যে কনো পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগ আছে বলে মন্তব্য করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক।

সেতু মুন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরো বলেন এই যুদ্ধ শুধু ফিলিস্তিনিদের নয় এটা সারা মুসলিমদের। ছাত্রলীগে সমসময় সব যায়গাই ও দেশের বাইরে গিয়ে পরিস্থিতি সামলাতে পারবে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

ইসলামের জয় হবেই বলে জানান ওবায়দুল কাদের তিনি আরো বলেন ইসলামকে কখনো থামিয়ে রাখা যাবে না। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ছিলো আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ। ওবায়দুল কাদের এর এমন দেশ প্রেম দেখে খুশি আওয়ামী লীগ এর বাকি নেতারা। তারা বলেন ওবায়দুল কাদের ছিলো বলেই দলটি এত সুন্দর করতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেন।

অনেকে মনে করেন রাষ্ট্রের কোন গোপন বিষয় থাকতে পারেনা। জনগণকে কোন চুক্তি বা দলিলে কি আছে পড়তে দিতে হবে। ফলে সবই উন্মুক্ত হইতে হবে। আমার ধারণা, এই দাবী শুনতে সেক্সি বা জনতুষ্ঠির সুড়সুড়ি কিন্তু প্র‍্যাক্টিক্যাল না। যিনি ফেবুতে সকল চুক্তি উন্মুক্ত করে দেয়ার কথা বলতেছেন, সেই উনারে রাষ্ট্র প্রধান বানায়ে দিলেও তিনি রাষ্ট্রের সব দলিল সব কিছু উন্মুক্ত করে দিতে পারবেন না।

তবে কথা পরিস্কার করে রাখা ভাল যাতে যিনি উন্মুক্ত করে দেয়ার বয়ান দিতেছেন তিনি যেন কথার ফাক দিয়ে চটকদারি ফাঁক না রেখে দেন। জনগণকে “চুক্তি পড়ানো” জানানো মানে কী জনে জনে যে কারো জন্য তা উন্মুক্ত করে দেয়া নাকি রিপ্রেজেন্টেটেটিভ মানে সারা জনগণের পক্ষ থেকে সংসদের এক দুজন বিরোধী সদস্যকে চুক্তিটা পড়ায়ে দিলেই হবে? সেটা চুক্তি উন্মুক্ত করে দেয়ার ওকালতি যারা করতেছেন তাদের পরিষ্কার করতে হবে।

অনেকে আছেন যিনি অস্পস্টভাবে বুঝাইছেন বিরোধী দু-একজনকে পড়াইবেন কিন্তু চটকদারি ওষুধ বেচার মত কথাটা এমনভাবে ফেইসবুকের স্ট্যাটাসে কইতেছেন যেন মনে হবে জনে জনে পড়ানোর জন্য তিনি “উন্মুক্ত” করার কথটা বলতেছেন। কিন্তু আসলে তা না। এইটা বুঝবেন, যখনই আপনি তারে ধরতে যাবেন, তখন তিনি বলবেন, “কোথায় বলেছি দেখান। আমি তো জনগণ বলতে জনগণের প্রতিনিধি এক রিপ্রেজেন্টেটেটিভ বুঝাইছি।”

তাই আপনি যদি চুক্তিরে উন্মুক্ত করতে বলার কথা বলেন, তাহলে “উন্মুক্ত” অর্থ কী সেইটা পরিষ্কার করে বলে দেয়াটা আপনার দায়িত্ব। পাঠককে বিভ্রান্ত করে ভুলপথে চালিত করা বুদ্ধিজীবির কাজ নহে।
যদি “চুক্তি উন্মুক্ত” করা জনে জনে সবার জন্য উন্মুক্ত করা অর্থে বুঝে থাকেন তবে নিচের কথাগুলো পড়তে পারেন।

রাষ্ট্র মানেই নিজ জনগোষ্ঠির একটা “একান্ত স্বার্থ”। আপনাকে আপনার স্বার্থ রক্ষার জন্য কিছু গোপনীয়তা রাখতেই হবে। আর কেউ যদি মনে করেন তিনি রাষ্ট্র প্রধান হইলে কোন কিছুই গোপন করবেন না তাইলে হয় তিনি বেকুব অথবা তিনি ভণ্ড।
আপনার কথা শুনলে ইন্ডিয়ার পাকিস্তান ভাঙার খায়েশ ও পরিকল্পনা ছিলো সেইটা প্রকাশ কইরা দেয়া উচিৎ ছিলো। জার্মান নাজি বাহিনীর উপরে মিত্র বাহিনীর আক্রমণ পরিকল্পনা পাব্লিক করে দেয়া উচিৎ আছিলো। বাংলাদেশ কখনো পারমানবিক বোমা বানানির পরিকল্পনা করলেও সেইটা তাইলে প্রকাশ্যে করতে হবে এইটা আপনার দাবী।

আপনার সকল চুক্তি পাবলিক করা মানেই আপনার শত্রু পক্ষের হাতে আপনি সবকিছু তুইল্যা দিতেছেন বা তুইল্যা দেয়ার ঝুঁকি নিতেছেন। এইটা রাষ্ট্র করতে পারেনা। প্লেইন এন্ড সিম্পল। তাই এই নিরাপত্তার দিকটা নিশ্চিত করার পরেই উন্মুক্ত কথাটার প্র্যাক্টিক্যাল অর্থ হতে পারে।
রাষ্ট্র পরিচালনায় গোপনীয়তা কখনো কখনো প্রয়োজনীয়।

চ্যানেল উগান্ডা

ঢাকা সাংবাদিক ডন ভাই পিএম