ধেয়ে আসছে ইয়াস, ১২ ঘণ্টা চালাবে তাণ্ডব!

553

বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ এবং পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোর মধ্যে নিম্নচাপটি বর্তমানে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরের সবচেয়ে কাছে রয়েছে। এর অবস্থান কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬১৫ কিলোমিটার দূরে।

রবিবার (২৩ মে) দুপুরে বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, টানা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা তাণ্ডব চালাতে পারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। এ সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় গড়ে ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে গিয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি মূলত পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িষা ও বিহার উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশের খুলনা উপকূলেও আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে ঝড়টির।

ধারণা করছি, ২৬ মে (বুধবার) বিকেলের পর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানা শুরু করবে। বাংলাদেশে হয়তো ঘণ্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে সুন্দরবনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

আঘাতের সময় ঘূর্ণিঝড়টির গতি কেমন থাকতে পারে- এমন প্রশ্নের উত্তরে আবহাওয়াবিদ এ কে এম রুহুল কুদ্দুস বলেন, আঘাতের কেন্দ্রস্থলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি হতে পারে ইয়াসের। তবে টানা ঝড় বয়ে যাওয়ার সময় গতি গড়ে ১৮০ কিলোমিটার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

চ্যানেল উগান্ডা