আল্লাহ্ সহায় থাকলে ঘূর্ণিঝড়ে এবারও রক্ষা পাবে দেশ: ইশরাক হোসেন

714

প্রবল শক্তি নিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ায় ‘ইয়াস’ এখন উড়িষ্যার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, ফলে আপাতত সতর্ক সংকেত বাড়ানোর প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন মেয়র ইশরাক হোসেন

তিনি বলেন ইনশাল্লাহ্, আল্লাহ যেভাবে আমাদের বাংলাদেশের প্রতি রহমত করেছেন, দয়া করেছেন সেটা অব্যাহত থাকলে এবার হয়তো ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারবো।’

সোমবার (২৪ মে) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মেয়র ইশরাক হোসেন বলেন আল্লাহ এখনও আমাদের অনেকটা টেনশনমুক্ত রেখেছেন। নিম্নচাপটি সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এটি এখনও অতটা শক্তিশালী হতে পারেনি। উড়িষ্যা উপকূল থেকে ৫০০ কিলোমিটার ও বাংলাদেশ উপকূল থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি।’

উত্তর-পশ্চিম অংশে সরাসরি উড়িষ্যার দিকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি এই গতিপথ একইরকম থাকে, তবে বাংলাদেশে উপকূলে ক্ষতির কোনও প্রভাব হবে না বলে আমরা আশা করছি। ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ সেইভাবে বাংলাদেশের ওপর আঘাত হানবে না। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে হয়তো মেঘ ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

সবকিছু পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে জানিয়ে ডা. এনামুর বলেন, ‘উপকূল থেকে না সরে আসা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখবো। যদি কোনও কারণে এটা দিক পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে আসে তবে আমরা যেন মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক ও মাঠ প্রশাসন থেকে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। বিপদ সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন তারা আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতি ৪ বা ৬ ঘণ্টা পর পর মনিটরিং করবো। এরপরে যদি গতিবেগ আরও বাড়ে তারপরে আমরা ঘণ্টায় ঘণ্টায় সংবাদ দিতে পারবো। আপনারা সেসব সংবাদ পরিবেশন করবেন, যাতে জনগণ কোনোরকম ভুল বা ঢিলেমি করার সুযোগ না পায়।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘বর্তমান অবস্থা ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেয়া আছে। এ অবস্থায় থাকলে বাংলাদেশের জন্য সংকেত বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চ্যানেল উগান্ডা