মানুষ তাকিয়ে আছে বেগম জিয়ার দিকে

365

ঘর থেকে বের হয়ে রাজপথে এসেছেন দেশনেত্রী আপসহীন নেত্রী বাংলাদেশের গণমানুষের নন্দিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। যেদিন প্রিয় এই নেত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে রাজপথে আসেন সেদিন ছিল সর্বব্যাপী সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দুর্যোগ। স্বৈরশাসনের অন্ধকারে নিমজ্জিত স্বদেশে তিনি হয়ে ওঠেন আলোকবর্তিকা

অন্ধকারের অমানিশা দূর করে আলোর পথযাত্রী। দীর্ঘ ৯ বছর অত্যাচার অবিচার, জেল জুলুম সহ্য করে, নিষ্ঠা ও সততা ও দক্ষতার সাথে বিরাট দল বিএনপির নেতৃত্ব দিয়ে তিনবার গণরায়ে অভিষিক্ত হয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা যোগ্যতায় স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। ১৯৮১ সালে ৩১ মে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর জাতি যখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল, সেই দুঃসময়ে তিনি দলের হাল ধরেন।

পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা সামরিক শাসনের দুঃশাসনে নিপতিত। স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাতে তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশে আজ ভোটের অধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই। কথিত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকার স্বৈরাচারী আচরণ করছে। দেশের এ সঙ্কটকালে দেশবাসী তাকিয়ে আছে বেগম জিয়ার সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রতি।

৩১ মে ১৯৮১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক ব্যর্থ অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে নিহত হন। তার কিছুদিন পর নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের হাত থেকে ক্ষমতা দখল করলেন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ।

আশির দশকের মাঝামাঝি দেশের ছাত্রসমাজ প্রথমে শুরু করল স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন। কিছুদিনের মধ্যে তাতে যোগ দিলো বিভিন্ন দল আর শ্রমিক সংগঠনগুলো। কিন্তু এরশাদের চাতুর্য আর রাষ্ট্রীয় পেশিশক্তির সাথে তারা ঠিক পেরে উঠছিলেন না। তখনো বিএনপি নিজ দল গোছাতে ব্যস্ত। দলের অনেকেই এরশাদের সাথে আগেই হাত মিলিয়েছেন; কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে দল ও সে আন্দোলন এগিয়ে যায় এবং তিনি আন্দোলনের মধ্যদিয়ে আপসহীন নেতৃত্ব হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হন। পরিণামে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতন ঘটে।

চ্যানেল উগান্ডা