খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করলেন ইমরান খান

1035

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করছেন ইমরান খান। তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়া নির্দোষ তাকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে বন্ধি করে রেখছেন। বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ তাকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা করানো উচিত।

ইমরান খান আরো বলেন এভাবে প্রতিপক্ষ দল কে নির্যাতন করা ঠিক না। (৩) বারের প্রধানমুন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাকে সম্মান করা আওয়ামী লীগের দরকার। বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে এর দায় ভার সরকার নিবে বলে জানান ইমরান খান।

ইমরান খান সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব লায়ন ফারুক রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান হিন্দুরত্ন রামকৃষ্ণ সাহা, উপদেষ্ঠা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই, আর্ন্তজাতিক সম্পাদক খোন্দকার মিরাজুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মিজানুর রহমান, মহিলা সম্পাদিকা নাছিমা নাজনিন সরকার, কেন্দ্রীয় সদস্য খোরশেদ আলম, যুবমিশন আহ্বায়ক ইমরুল কায়েস, ছাত্রমিশন সভাপতি সৈয়দ মো: মিলন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন প্রমুখ।

মিছিলটি বিজয়নগর থেকে শুরু হয়ে সেগুনবাগিচা, মৎস ভবন থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।- ছবি নয়া দিগন্ত
অবিলম্বে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া আর জনগনের ভাগ্য একসূত্রে গাঁথা। খালেদা জিয়া ভালো থাকলে দেশের জনগনও ভালো থাকে। সরকার তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন শারিরীক জটিলতা ও অসুস্থ ৭৬ বছরের বয়স্ক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক টিম বিদেশে সুচিকিৎসার জন্য সুপারিশ করলেও সরকার ক্ষমতার জোরে তাকে বিদেশে যেতে বাধা দিচ্ছেন যা অনৈতিক ও মানবতার পরিপন্থী। সুচিকিৎসার অভাবে বেগম জিয়ার কিছু হলে দায় সরকারকে নিতে হবে।

সোমবার বেলা ১২টায় বিজয়নগর মোড়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে সমাবেশে দেয়া সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার আলেম ওলামাসহ সকল রাজবন্দির মুক্তির দাবি জানান।

ডা: ইরান বলেন, চাল, ডাল, তেলসহ দ্রব্যমূল্যের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির ফলে জনগন দিশেহারা। দুর্নীতি লুটপাট ও দুঃশাসনের কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। অসাধু সিন্ডিকেট চক্র সরকার দলীয় হওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না। শ্রেণি বৈসম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে চার কোটি মানুষ বেকার, কর্মহীন ও দারিদ্র সীমার নিচে অবস্থান করছে। চিহিৃত দুর্নীতিবাজ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটকারীদের বিচার না হওয়ায় দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করছে। সরকার দলীয়রা মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি ও পাচার করছে। ফলে অর্থনীতি জড়াগ্রস্ত হয়েছে। এতে দ্রব্যমূল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আর সরকারের ব্যর্থতার খেসারত গুনছে জনগণ।তিনি আসন্ন বাজেটে করোনায় বেকার কর্মহীন, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের খাদ্য, চিকিৎসা ও পুর্নবাসনে বিশেষ বরাদ্দ রাখার আহ্বান জানান।

চ্যানেল উগান্ডা