উন্নয়নে চট্টগ্রামের রাস্তা এখন সুইমিং পুল হয়েছেঃ নায়ক রিয়াজ

884

নায়ক রিয়াজ চট্টগ্রামে আসার সময় চট্টগ্রামের রাস্তা এখন ইউরপের রাস্তা বলে মন্তব্য করেন রিয়াজ। বিসানে রিয়াজ চট্টগ্রামে আসে তারপর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন চট্টগ্রামের রাস্তা এখন ইউরোপের মত হয়ে গেছে।কিন্ত হঠাং একদিনের বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের রাস্তা এখন সুইমিং পুল হয়ে গেছে।

চট্টগ্রামের রাস্তা দিয়ে এখন নৌকা ছাড়া পারপার হওয়ার ছাড়া কনো উপাই দেখছে না চট্টগ্রাম বাসী। নায়ক রিয়াজ বলেন শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন করছে দেশের সেটা চট্টগ্রাম বাসী দেখছে। মানুষ এখন ভোগান্তি তে পরে আছে। মানুষ চাই একটু ভালো ভাবে চলা ফেরা করতে কিন্তু এখদিনের বৃষ্টি শুরু হলেই নদীতে পরিনিত হয় চট্টগ্রাম।

নায়ক রিয়াজ বলেন শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম বাসীকে দুই হাত পুরে দিয়েছে।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই বিএনপি নির্বাচন বয়কটের মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

সোমবার ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ব্যাপারে বিএনপির আস্থার অভাব রয়েছে। তারা যে নির্বাচন বয়কট করেছে অথচ ’৭০ সালে বঙ্গবন্ধু লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্কের আন্ডারে কিন্তু নির্বাচন করেছেন। একটা শর্ত ছিল, বাঁধন ছিল। অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েছিল এই নির্বাচন করে কী হবে? কিন্তু বঙ্গবন্ধু জানতেন নির্বাচনে একমাত্রই পথ স্বাধীনতা।

৭ মার্চ, ৭ জুনের মতো ঐতিহাসিক দিবসগুলো পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন করার পরেই বঙ্গবন্ধু যে ম্যান্ডেড পেয়েছিল, সেটাই তাকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কাজেই এই কথাাটি সত্য, আজকে যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না তারাই নির্বাচন বয়কট করেছে।ঐতিহাসিক ৬ দফার মতো দিবসগুলো পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকে অস্বীকার করে তাদের আস্থার অভাব রয়েছে। স্বাধীনতার চেতনায় যদি তারা বিশ্বাসী হতো, তাহলে ৭ মার্চ, ৭ জুন-এই দিবসগুলোর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা থাকতো এবং পালন করতো।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের মহান স্বাধীনতার পথে, স্বাধিকার সংগ্রামের বাক পরিবর্তনকারী ঐতিহাসিক মাইলফলক ৭ জুন। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারির তৎকালীন বাংলার কেন্দ্রাতীত শক্তি, আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে এই ৬ দফা প্রস্তাব ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশে এসে ৬ দফা দাবির পক্ষে তিনি প্রচার শুরু করেন। বাংলাদেশের ম্যাগনাকার্টা বলে পরিচিত ৬ দফা হচ্ছে বাঙালির মুক্তির সনদ।’তিনি বলেন, ৬ দফা সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাংলার স্বাধিকার সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপান্তরিত হয়। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৫ দফা ভিত্তি, ১১ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে বিস্ফোরিত বাংলাদেশ, তারপর বঙ্গবন্ধুর মুক্তি, ’৭০ এর নির্বাচন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ; এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। কাজেই ৭ জুন আমাদের স্বাধিকার সংগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটাকে বাক পরিবর্তনকারী মাইলফলক বলে আমরা চিহ্নিত করতে পারি।

এর আগে ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ওবায়দুল কাদের।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই বিএনপি নির্বাচন বয়কটের মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

সোমবার ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ৬ দফা সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাংলার স্বাধিকার সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপান্তরিত হয়। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৫ দফা ভিত্তি, ১১ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে বিস্ফোরিত বাংলাদেশ, তারপর বঙ্গবন্ধুর মুক্তি, ’৭০ এর নির্বাচন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ; এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। কাজেই ৭ জুন আমাদের স্বাধিকার সংগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটাকে বাক পরিবর্তনকারী মাইলফলক বলে আমরা চিহ্নিত করতে পারি।

এর আগে ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ওবায়দুল কাদের।ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ব্যাপারে বিএনপির আস্থার অভাব রয়েছে। তারা যে নির্বাচন বয়কট করেছে অথচ ’৭০ সালে বঙ্গবন্ধু লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্কের আন্ডারে কিন্তু নির্বাচন করেছেন। একটা শর্ত ছিল, বাঁধন ছিল। অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েছিল এই নির্বাচন করে কী হবে? কিন্তু বঙ্গবন্ধু জানতেন নির্বাচনে একমাত্রই পথ স্বাধীনতা।

৭ মার্চ, ৭ জুনের মতো ঐতিহাসিক দিবসগুলো পালন না করায় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন করার পরেই বঙ্গবন্ধু যে ম্যান্ডেড পেয়েছিল, সেটাই তাকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কাজেই এই কথাাটি সত্য, আজকে যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না তারাই নির্বাচন বয়কট করেছে।