সকল মুসলমানের জন্য প্রধান ইস্যু ফিলিস্তিন: আব্দুল রাহমান আল-সুদাইস

320

মক্কার গ্রান্ড মসজিদের ইমাম ও খতীব শেখ আব্দুল রাহমান আল-সুদাইস বলেছেন, ফিলিস্তিন সকল মুসলমানের জন্য প্রধান ইস্যু।

শুক্রবার খোটানে মুসলমানদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন। রাই আল-ইয়মের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

শেখ আব্দুল রাহমান আল-সুদাইস যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) সমর্থক বলে পরিচিত।

তিনি আরো বলেন, প্রথম কেবলা ও তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ হলো আল-আকসা। এটা প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে থাকবে।

তিনি প্রত্যেক মুসলমানকে আহ্বান জানান যে আল-আকসা মসজিদ ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে তারা যেন হার মেনে না নেন এবং চোখ বন্ধ করে বসে না থাকেন। ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে কিছু না করতে পারলেও তারা যেন অন্তত দোয়া করেন।

আল-সুদাইস আরো বলেন, ফিলিস্তিন প্রত্যেক মুসলমানের জন্য প্রধান ইস্যু। দোয়া করেন ফিলিস্তিন ও আল-আকসা মসজিদ যেন দখলদারদের থেকে স্বাধীন হয়।

শেখ আব্দুল রাহমান আল-সুদাইস একজন মন্ত্রীর মর্যাদা পেয়ে থাকেন। মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন অংশে উত্তে”জনা প্রশমনে ও যু”দ্ধ থামাতে সৌদি উদ্যোগের প্রশংসাও করেন তিনি।(সূত্র : মিডলইস্ট মনিটর)
ইসরাইলের ১৩তম প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন উগ্র ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী ইয়ামিনা পার্টির নাফতালি বেনেট।

জোট গঠনের শর্ত হিসেবে বেনেট ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

রোববার দেশটির সংসদে মাত্র ১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন নাফতালি বেনেট। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিশ্ব নেতারা নাফতালি বেনেটকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এরমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে অভিনন্দন জানিয়েছেন হিব্রু ভাষায়।

ইসরাইলের নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটকে অভিনন্দন বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে কূট”নৈতিক সম্পর্কের আসন্ন ৩০ বছর উদযাপন উপলক্ষে আমি আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা করছি। এই সাক্ষাতে ভারত এবং ইসরাইলে কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে।

গত মাসে ১১ দিন ধরে গাজায় একটানা বি’মান হাম”লা চালায় ইসরাইল। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ইহুদি লরাষ্ট্রটি ব্যাপক সমা”লোচনার মুখে পড়ে। তবে ভারতীয় নাগরিকদের একটি বড় অংশ ফিলিস্তিন-ইসরাইল সং”ঘাতে ইসরাইলের প্রতি সমর্থন জানায়। এই ভারতীয়রা মূলত দেশটির বিজেপি সরকারের সমর্থকগোষ্ঠী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে তারা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনের পক্ষে নানা যুক্তি দেখিয়ে পোস্ট দেয়। আবার অনেকে গাজায় ইসরাইলি হামলার পর আনন্দও প্রকাশ করে।
মোদির শাসনামলের ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো গাজার স”হিং”সতা প্রশ্নে ইসরাইলবিরোধী ভোটাভুটিতে অংশ নেওয়া থেকে বিরত ছিল ভারত। কিন্তু ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো এক ফিলিস্তিনি সংগঠনের পর্যবেক্ষক মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার ইসরাইলি দাবির পক্ষে ভোট দেয় ভারত।

ওই বছরের জুন জাতিসংঘ ফোরামে লেবাননভিত্তিক ফিলিস্তিনি সংগঠন ‘শাহেদ’ এর পর্যবেক্ষক স্ট্যাটাসের কেড়ে নেওয়া প্রস্তাব দেয় ইসরাইল। ‘শাহেদ’ মানবাধিকার নিয়ে কাজ করলেও ইসরাইলের দাবি এটি একটি স”ন্ত্রা”সী সংগঠন। ওই ভোটাভুটিতে ভারত ইসরাইলকে সমর্থন দেয়