মালয়েশিয়ায় গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খোজঁ খবর নিচ্ছেন মাহাথির

818

আধুনিক মালয়েশিয়ার স্বপ্নদ্রষ্টা তুন ডা: মাহাথির মোহা’ম্ম’দ। তুন গত কাল বুধবার লাংকাউয়িতে বিভিন্ন গ্রামের জন সাধারনের খোজঁ খবর নিচ্ছিলেন এমন একটি পোস্ট তুনের ভেরিফাইড ফেসবুকে শেয়ার করারপর নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়।নেটিজনরা বলছেন জনগণের ভালবাসা পেতে হলে বয়স লাগেনা। জনগণের খোজঁ নিলে এমনিই নেতার প্রতি ভালবাসা জন্ম নেয়। তুনের দীর্ঘায়ূ কামনায় দেশের জনগণ ও নেটিজনরা। ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ

২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মাহাথির। ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে বিরোধে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করেন মাহাথির।দুর্নী’তির দা’য়ে কা’রাভো’গও করেন আনোয়ার। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে নাজিব রাজাক সরকারকে সরাতে যখন সেই আনোয়ারের স’ঙ্গেই জোট বাঁ’ধার ঘোষণা দেন মাহাথির, তখন সবাই অবাকই হয়েছিলেন। নির্বাচনে জয়ের পর রাষ্ট্রীয় ক্ষ’মায় কা’রাগার থেকে মু’ক্ত হন আনোয়ার।বহুল আ’লো’চি’ত রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ডের দুই বছর পূর্তি হলো আজ। ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা স,রকারি কলেজের সামনে ব’ন্ড বাহিনীর হা’ম’লায় নি’হ’ত হন রিফাত শরীফ।

এ ঘটনায় নি’হ’ত রিফাতের স্ত্রী’ আয়েশা সি,দ্দিকা মিন্নিকে হ’ত্যাকা’ণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী উল্লেখ করে ফাঁ’সির আদেশ দেন আ’দা’লত। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দা’লত এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই কারাগারে আছেন মিন্নি।

গত বছরের ২৯ অ,ক্টোবর বরগুনা জে’লা কারাগার থেকে মিন্নিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে এ কারাগারেই রয়েছেন তিনি। ক’রো’নার কারণে বন্দীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ থাকায় প্রতি সপ্তাহে এ’কবার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান মিন্নি। এদিকে, মিন্নি অ’সুস্থ বলে জানিয়েছেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কি’শোর।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মিন্নির দাঁতে ব্যথা ও মা’থা ব্যথাসহ অন্যান্য অনেক উপসর্গ আছে। মিন্নি খেতে পারে না, ঘুমাতে পারে না। সব সময় অ’সুস্থ থাকে। তাই খুবই দুর্বল হয়ে গেছে। কারাগারের পানি পর্যন্ত ওর সঙ্গে অ্যাডজাস্ট হয় না। মিন্নির চিকিৎসার জ’ন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এ আবেদন অনুমোদিত হলে মিন্নিকে বাহিরে হাসপাতা’লে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার কারণে মি,ন্নিকে চেনা এখন দুষ্কর ব্যাপার। মিন্নি কোনদিন কোনো অ’ভাব দেখেনি। ওর খাওয়ার অভাব ছিল না, পরার অভাব ছিল না, কোনো শূন্যতাও ছিল না। মিন্নিকে আমি কলেজে নিয়ে যেতাম আবার কলেজ থেকে নিয়ে আসতাম। কেউ বলতে পারবে না- কোনোদিন মিন্নি একা বাহিরে বের

হয়েছে। মিন্নি আজ মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন থেকে দূরে। ওকে (মিন্নিকে) কারাগারের সেলে আ’বদ্ধ থাকতে হয়। তাই খুব ক’ষ্টে জীবনযাপন করছে মিন্নি। যদিও মিন্নির অ’সুস্থতা ও চিকিৎসার বিষয়ে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।