এবার প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৩০ পারা কোরআন হাতে লিখলেন হুমায়ুন

675

বাংলাদেশের তরুণ হুমায়ুন কবির সুমন

৩০ পারা পুরো কুরআন হাতে লিখলেন। এর আগে বিশ্বের বহু দেশে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার খবর পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে এমন ঘটনা এই প্রথম।

এদিকে, হুমায়ুন কবির সুমনের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বারড়িয়া গ্রামে।

হুমায়ুন কখনো মাদ্রাসা পড়েননি। আরবি শিখতে তার সময় লেগেছে মাত্র ৩ বছর।

গত ১৯৯৯ সালে এসএসসি পাস করার পর হুমায়ুন কোরআনুল কারিম লেখার উদ্দেশ্যেই আরবি লেখা শেখেন। এর পরে ২০০৭ সালে পবিত্র কুরআন হাতে লেখা শুরু করেন। মাত্র ৩ বছরের ব্যবধানে ২০১০ সালে পুরো কোরআন লেখা সম্পন্ন করেন হুমায়ুন।

নিজ ইচ্ছায় আরবি লেখা শিখে কোরআন লেখা এবং পৃষ্ঠা বিন্যাস ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ক্যালিওগ্রাফিও ব্যবহার করেছেন তিনি।

বরিশালের তরুণ হুমায়ুন বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কুরআনে পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে চান। বর্তমানে ঢাকার গাউছিয়া মার্কেটের একটি শোরুমের সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন হুমায়ন।বয়,স তো তাঁদের জন্য বাহানা যাঁরা কোনো কাজ করতে চায় না। আজ আমরা ১৩ বছরের এক বা,চ্চার কথা বলব আপনাদের, যার কাজের কথা শুনে আ,পনারা অবাক হয়ে যাবেন। মু,ম্বাই এর বাসিন্দা তিলক মেহতা পড়াশোনার পা,শাপাশি এমন একটা কম্পানি শুরু করেন যার বর্তমান টা,র্নওভার ১০০ কোটির বেশি।

তিলক এক ব্যাঙ্কারকে চাকরি ছাড়তে বলে আর তারপর তাঁকে নিজের ক,ম্পানি তে চাকরি দেয়। কি অবাক হচ্ছেন তো? এই বাচ্চাটির কম্পানির নাম “পেপার এণ্ড পার্সেল”।

মুম্বাই তে অল্প দূরত্বের ঠিকানায় খুব কম সময় ও অল্প খরচে পার্সেল ডে,লিভারি করে এই কম্পানি। আর ডেলিভারি করতে সাহায্য করে মুম্বাই এর টিফিন ডেলিভারি বয়।

মাত্র ৪০-১৮০ টাকার মধ্যে তাঁরা এই কাজ করে থা,কেন, যা অন্যান্য কম্পানির তুলনায় অনেক কম টাকা। এই কম্পানি শুরু করার পিছনের ঘটনা খুব ম,জাদার। তিলকের এ,কবার একটা বই কেনার প্রয়োজন হয়। তাই সে ঠিক করে তার বাবা কাজ থেকে বাড়ি ফিরলে তাঁর সাথে কিনতে যাবে। তাঁর বাবা এক লজিস্টিক কম্পানিতে কাজ করতেন।

সেদিন তিনি এতটাই টায়ার্ড ছিলেন যে তিলক তার বা,বাকে আর বিরক্ত করতে চায়নি। কিন্তু দোকান অনেক দূর হওয়ায় একা তার পক্ষেও যাওয়া সবম্ভব হয় না। সেদিন তার মনে হয় যদি এমন হত কেউ খুব অল্প খরচে এই ধরনের ছোটোখাটো পার্সেল ডেলিভারি করত তাহলে তার মতো অনেক মানুষের সুবিধা হতো। এই স্টা,র্টআপ আইডিয়া সে তার বাবাকে জানায়। এই স্বপ্নকে তারা বাস্তবে রূপান্তরিত করে।

তি,লক বলেন তাদের কাজ অনলাইন অ্যাপলিকেশন এর মাধ্যমে হয় আর তার কম্পানির লো,কেরা প্রতিনিয়ত আপডেট করতে থাকে তাদের গ্রাহকদের। বর্তমানে তিলকের কম্পানিতে ২০০ জন কাজ করে আর ৩০০ টিফিন ডেলিভারি বয়ও যুক্ত।

প্রতিদিন তার কম্পানি ১২০০ গ্রাহককে প,রিষেবা দেয় যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। তার এই ক,ম্পানি শুরু করা নিয়ে তাকে অনেক ব্য,ঙ্গের শিকার হতে হয়েছিল। কেউ বিশ্বাস করনি তার ওপর। কিন্তু সে হার মানেনি সে নিজের স্বপ্ন পূরণ করে বহু মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।কথায় বলে সে,য়ানে সেয়ানে কো,লাকুলি তবে এখানে কোলাকুলি নয় চলছে ল,ড়াই। একই ভ,য়ঙ্কর প্রজাতির মধ্যে টক্কর লাগে তখন তা যে সহজে তা মেটেনা তা,তো আ,শা করাই যায়‌। সাপের মত প্রাণী যাকে সবাই ভয় পায় তারা যখন নি,জেদের ম,ধ্যে যুদ্ধ লা,গাই তখন তার জেরে রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে যেতে হয় গা,ড়িদেরও।

স,ম্প্রতি এ রকমই একটি ঘটনা ভা,ইরাল হয়েছে যার জেরে রাস্তার মধ্যে দাঁ,ড়িয়ে গেছে মানুষজন। টা,নটান উত্তেজনা দুই বি,ষধর সাপ লড়াই শুরু করেছে এ,কে অপরের সাথে কেউ কা,উকে ছেড়ে কথা বলছে না‌। খুব স্বাভাবিক ঘ,টনা এটি। কিন্তু এরকম ঘ,টনা চাক্ষুষ দেখার সু,যোগ ক,তজনেরই বা হয়। আর তাইতো এটি ভা,ইরাল হয়েছে নেট নাগরিকদের হা,তে।

সম্প্রতি সো,শ্যাল মি,ডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যা,চ্ছে প্রকাশ্যে রাস্তায় দুই প্রকাণ্ড বিষধর সাপ নি,জেদের মধ্যে ল,ড়াই এ মত্ত হয়েছে। কেউই একে অপরকে হারাতে না পেরে কি,ছুক্ষণ পর যে যার জায়গায় চলে যায়।

কি’ন্তু হঠাৎ করে রাস্তায় এমন ঘটনা দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেছে উপ’স্থিত মানুষজনদের। যথাসম্ভব এটি কোন প্রত্যন্ত গ্রা’মের ভিডিও। চারপাশের কোন বন জ,ঙ্গল থেকে লোকালয়ে চলে এ’সেছিল সাপ দুটি। আর এমন হাড়হিম ঘ’টনা দেখে তা ক‍্যা,মেরাবন্দী করেছেন অ,নেকে‌। সেই ভিডিওই সোশ্যাল সাইটে পো,স্ট করতে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।