প্রবাসী বন্ধুরা শিক্ষা নিন, পরিবার নিতে চাচ্ছেনা রাশেদকে, বিশেষ ফ্লাইটে দেশে আনল বাংলাদেশ দূতাবাস !!

1407

এইটা কোন ধরনের অমানবিকতা । তোদের মতো মানুষ নামের অমানুষ গুলারে দেখতে মন চাইতেছে
ছেলেটির নাম রাশেদ । জন্ম ১৯৮৪ সালে ।

মাস্কাটে তিন বছর আগে বিল্ডিং রং করতে গিয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে পড়ে পুরো শরীর এমনই ফ্র্যাকচারড হয়েছে যে জানে বেঁচে গিয়েছে। কিন্তু প্যারালাইজড ।

শুধুমাত্র মাঝে মাঝে চোখ’টা খুলে নির্বিকার তাকিয়ে থাকে। আবার চোখ বন্ধ করে।কথা বন্ধ।ছেলেটি এভাবেই তিন বছর ধরে মাস্কাটে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় পড়ে ছিলো। সে কোম্পানিতে কাজ করতো, তারা খরচ বহন করেছে।উনাকে ফেলে দেয়নি।

কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হলো উনার পরিবা’রের সাথে তার কোম্পানি থেকে ক’য়েকবার যোগাযোগ করেও তারা তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়েছে।পঙ্গু ছেলে তারা ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।তার ভার তারা নেবেনা।তাকে যেন দেশে পাঠানো না হয়।ধরে নিলাম তারা দরিদ্র।দায়িত্ব নিতে চায়না। তারপরেও তাদের এই সন্তান যদি সুস্হ থাকতো, কাঁড়ি কাঁড়ি রিয়াল পাঠাতো, তাহলে কিন্তু এরাই তাকে পুজা করতো, মাথায় তুলে রাখতো।বিষয়টা আমার কাছে অত্যন্ত অমানবিক মনে হয়েছে।

আহারে জীবন। রাশেদ যে হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই হসপিটালের বাংলাদেশি ডক্টররা, ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস, যে কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় তাকে আজকে দেশে আনা হয়েছে। সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রবাসী রাশেদকে গত ২৪ তারিখ দিবাগত রাতের বি’মান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে বিশেষ ব্যবস্থায় দেশে আনা হয়েছে। সেই বিমান যাকে আপনারা বেঈমান বলেন।

মাস্কাট-ঢাকা ফ্লাইটে তাকে স্পেশাল হ্যান্ডলিং এর মাধ্যমে আনা হয়েছে। প্রবাসী বন্ধুরা, এটা দেখে শিক্ষা নিন, নিজের জন্য কিছু করুন। বি’পদে কেউ কারো না।সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় বিধি-নিষেধ আরোপ করে নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। দেশের এ প্রেক্ষাপটে ধর্ম মন্ত্রণালয়ও সব ধর্মের প্রতিষ্ঠান ও মসজিদগুলোতে জামাতের নামাজের জন্য কিছু শর্ত পালন করতে অনুরোধ করেছে।জামাতে নামাজ আদায়ে পালন করতে হবে যেসব শর্ত

মসজিদের প্রবেশ মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে, আগত মুসল্লিদেরকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে, প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, মসজিদে

কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে,

মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে, কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে, শিশু-বয়ঃবৃদ্ধ-যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে

অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবে, সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওজুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে নাধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে, করোনা মহামারি থেকে রক্ষা পেতে নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব, ইমাম ও মুসল্লিগণ দোয়া করবেন এবং খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, অন্যান্য সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা উপাসনালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাস্ক

পরিধান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব যথাযথভাবে

অনুসরণ করবেন। উল্লিখিত নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

প্রা;ণঘা;তী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে অনুরোধ জানানো হলো