২৯ ব,ছর ধরে গবেষণার পর ইসলাম গ্রহণ করলেন জ’বি অধ্যাপক

764

জ,গন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি)
লোকপ্রশাসন বিভাগের স,হকারী অধ্যাপক রিতু কুন্ডু দীর্ঘ ২৯ বছর গবেষণার পর ইসলাম ধর্ম গ্র,হণ করেছেন।

তু,লনামূলক ধর্মতত্ত্ব (কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন) নিয়ে জ্ঞান অর্জন ক,রেছেন। শান্তির এ ধর্মে তিনি দিক্ষিত হয়েছিলেন প্রায় চার বছর আগেই। তবে বিষয়টি সেভাবে জানাজানি হয়নি।

স,ম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড করে নিজের ইসলাম ধর্ম গ্র,হণের দীর্ঘ যাত্রার কথা বর্ণনা করেন এ শিক্ষিকা। তবে ই,সলাম ধর্ম গ্রহণের পর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে কিছুই জানাননি তিনি। জানা গেছে, রিতু কুন্ডু তার নাম পরিবর্তন করে আ,দ্রিতা জাহান রিতু রেখেছেন।

ভি,ডিওবার্তায় এ অধ্যাপক বলেন, ‘দীর্ঘ ২৯ বছরের বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা ও জ্ঞান-বু,দ্ধির আলোকে আমি ইসলামের বিষয়ে এক মাসব্যাপী পড়াশোনা শুরু করি।

১৬ দি,নের মধ্যেই আমি সত্য উপলব্ধি করি এবং ২০১৭ সালের মার্চে ইসলাম গ্রহণ করি।এই দীর্ঘ ২৯ বছর প,র্যন্ত আমি নিজের পরিবার, সমাজ ও মানুষের আচার-ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করি। এ দীর্ঘ সময় অ,ন্যান্য প্রধান সব ধর্মের গ্রন্থাবলি পাঠ করেছি। জাপানেও এ বিষয়ে পড়াশোনা করি। ২০১২ সালে এসে বু,ঝতে পারি, এগুলো মানুষ রচিত বই (ঐশি বাণী নয়)।’

তি,নি যোগ করেন, ‘দীর্ঘ ২৯ বছর পর আমি পবিত্র কোরআনের বাংলা অনুবাদ পাঠ করি। এর পা,শাপাশি আমি হাদিসও পাঠ করি। সামনে কোরআনের যে সূরা আর হাদিস পেয়েছি তাই মনযোগ দিয়ে পড়েছি। মহান আল্লাহর নি,র্দেশনার কারণ ও বিধি-নিষেধ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করি। কখনো এ বিষয়ে স্বপ্নও দেখেছি। তা হয়ত অনেকের অ,বিশ্বাস মনে হবে। খুব ছোট থেকেই হয়ত আল্লাহ আমাকে ইসলাম কবুলের জন্য তৈরি করেছিলেন।

ছো,ট থেকে আজ পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ঘটনা,
শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা আর সমাজের অসংগতি আ,মাকে ধীরে ধীরে ইসলামের পথে প,রিচালিত করেছে। আমি যখন বুঝতে পারলাম, আমাকে নামাজ পড়তে হবে সে,দিন থেকে টানা ১৪ মাস আমার নামাজ কাযা হয়নি। এরপর চাকরির কারণে দু-একবার কাযা হয়ে যায়।

আমি যখন অ,নুভব করলাম, আমাকে পর্দা করতে হবে সেদিন থেকে আমি হিজাব পরা শুরু করি।’ পরিবার ও বন্ধু-বা,ন্ধবের বিরোধিতা সত্ত্বেও তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন বলে জানান এ শি,ক্ষিকা।

অ,ধ্যাপিকা বলেন, ‘আমার পরিবার ও বন্ধুরা আমাকে এমনটি করতে মানা করে। কিন্তু আমি তাদেরকে বলি, আমি রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসতে পেরেছি। আমি বুঝতে পেরেছি, তিনি কেন আমাদের এত সুন্দর সুন্দর উপদেশ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। আ,জ থেকে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পন করলাম।’

নী,লফামারী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মা,ধ্যমিক সম্পন্ন করেন রিতু কুন্ডু । এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্না,তকোত্তর সম্পন্ন করেন।

২০১৩ সালে তিনি রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বি,ভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৭ সাল থেকে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে অ,ধ্যাপনা করছেন।ভা,রতের উত্তর প্রদেশের ২২ বছরের এক যুবকের বাবা কয়েক বছর ধরে নি,খোঁজ। পরিবারের খোঁজখবরও রাখ’ছিলেন না তিনি। এ কারণে বাবার সন্ধানে না,মেন ছেলে। শেষ পর্যন্ত বা’বার নতুন ঠিকানা খুঁজে পান তিনি।

তবে বাবার সঙ্গে খুঁ,জে পান নিজের সাবেক স্ত্রীকেও। সেই সাবেক স্ত্রী বর্তমানে ছে’লেটির বাবার দ্বি’তীয় স্ত্রী। সম্পর্কে তার সৎমা। শুধু তা-ই নয়, বাবা ও ‘নতুন মায়ে’র সংসারে দুই বছরের এক ছেলেও রয়েছে। এই ঘটনা জা’নতে পেরে বা,করুদ্ধ হয়ে পড়েন ছেলে। পরে সা’বেক স্ত্রীকে নিজের কাছে ফে’রাতে পু’লিশেও অ’ভিযোগ দেন। ভারতের উত্তর প্রদেশের বদায়ূঁ জে’লার ২২ বছরের এক যু’বকের বাবা অনেক আগে নিজের পরি’বারকে

ছেড়ে সম্ভল জে’লায় আলাদা থাক’তে শুরু করেন। পেশায় পরিচ্ছ’ন্নতা’কর্মী ৪৮ বছরের ওই ব্যক্তি সং’সারে টাকা-পয়সা পাঠানো বন্ধ করে দেন। এরপর বা’বার ঠিকানা জানতে তথ্য অধিকার আইনে (আরটিআই) মা’মলা করেন ওই ‘যু’বক। তাতেই জানতে পারেন তার নতুন মা’য়ের কথা। ২০১৬ সালে এই ‘নতুন মায়ে’র স’ঙ্গেই বিয়ে হয়ে’ছিল ওই যু’ব’কের। তবে সে সময় দু’জনই ছিলেন অ’প্রা’প্তবয়স্ক। সে বিয়ে টে’কে মাত্র ছয় মাস।

প,রে মেয়েটি স্বামী’কে ম’দ্যপ বলে দাবি করে বিচ্ছেদ নেন। এদিকে বাবার স’ঙ্গে সা’বেক সেই স্ত্রী,র বিয়েতে ক্ষু’ব্ধ হয়ে থানায় অ’ভিযোগ করেছেন যুবক। তার অ’ভি’যোগের পর দুই পক্ষকে আ’লোচনায় ডাকে বি’সৌলি থানা পু”লি’শ। যুবকের সাবেক স্ত্রী’র দাবি, দ্বিতীয় পক্ষের স’ঙ্গে সুখে সংসার করছেন তি’নি। তাই সাবেক স্বামীর কাছে ফি’রতে চান না। বি,সৌলি থানার এক কর্মকর্তা জানান, যুবকের প্রথম বিয়ের সময় দু’জনই অ’প্রা’প্ত বয়স্ক ছি,লেন।

সে বিয়ের কো’নো নথিও নেই। তাই ওই নারীকে আগের স্বামীর কাছে ফে’রাতে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হ,য়নি। তবে ফের আলো’চনার জন্য আরো একটি নো’টিশ দেওয়া হবে দুই পক্ষকে। সূত্র : আনন্দবাজার।