তি,ন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও ভি’ক্ষা করতে হচ্ছে মাকে

426

এ,কজন মা’য়ের শ্রেষ্ঠ অর্জন তার সন্তানেরা। সারাজীবনের সমস্ত প্রাপ্তি আর শ্রম দিয়ে মা তার সন্তানদের মানুষ ক,রেন। কিন্তু জীবনের নি’র্মম পরিহাসে অনেক সময় এই ‘মানুষ’ হওয়া সন্তানের আচরণও অমানবিক হয়ে উঠে।

গ,ল্পটি এমনই এক মায়ের। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপ’জে’লার ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের এক দুঃখিনী মায়ের জী,বনের নিয়ত সংগ্রামের, টিকে থাকার গল্প এটি।মনোয়ারা বেগম আর আইয়ুব আলীর টা,নাপোড়েনের সংসারে অভাব নি’য়মিত মেহমান হলেও ঠিকঠাক চলেই যাচ্ছিল ৬ সন্তানের এই প,রিবারটি।

কৃষক আইয়ুব আলী সা’ধ্যমত তার সকল সন্তানকে মানুষ করার চেষ্টা করেন। আ,ইয়ুব আলী-মনো’য়ারা দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে- ফারুক হো’সেন, নেছার এবং জসীম উদ্দিন পুলিশে কর্মরত। মেয়ে মরিয়ম সু’লতানা আছেন শি,ক্ষকতা পেশায়।

বাকি দুই সন্তান শা’হাবউদ্দিন করেন ব্যবসা আর গি,য়াস উদ্দিন ইজি বাইক চালিয়ে ভালোই আছেন। পরিহা’সের বিষয়, এতগুলো সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করেও এই মাকে আজ জী’বিকা নির্বাহ ক,রতে হচ্ছে ভিক্ষা করে। তিন ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, মেয়ে সরকারি প্রা’থমিক বি,দ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা অথচ সেই মাকেই কিনা জীবন বাঁ’চাতে ঘুরতে হচ্ছে মানুষের দ্বারে দ্বা,রে।

দিনে এক বেলাও ঠিকমতো ভাগ্যে জু,টছে না ভাত। বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগমের বয়স হয়েছে। স্বা’ভাবিক ভাবে হাঁটতে পর্যন্ত পা,রেন না। তারওপর গত ৪-৫ মাস আগে ভিক্ষা করতে গিয়ে পড়ে কোমরের হাড় ভে,ঙ্গে যায়। সেই থেকে বাবুগঞ্জের স্টিল ব্রিজের পাশে একটি খুপ’রি ঘরে বিনা চিকিৎসায় অর্ধাহারে বেঁচে আ,ছেন। নিঃস্ব, অসহায়, মূক।

ম,নোয়ারা বেগমের ইজি বাইক চালক ছেলে গি’য়াস উদ্দিন জানান, ‘আমার সাধ্য মত মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টার করছি। এখন আ,মিও সহায় সম্বলহীন তাই বৃদ্ধ মা আজ বিনা চি,কিৎসায় মৃত্যু পথযাত্রী। আ’মার তিন ভাই পুলিশ অ,ফিসার। তারা তা’দের স্ত্রী সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকে। মা’য়ের কোন খোঁ,জ খবর নেয় না।দা,য়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক পুলিশ বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে৷ গুটিকয়েক পু,লিশ সদস্যের নীতিভ্রষ্টতার কারণে এমন অ’ভিযোগ পুরো পুলিশ বা,হিনীর উপর এসে পড়ে৷ তবে এর পেছনে নাগরিক সমাজের ভূ’মিকাও কম দায়ী নয়।

ন,তুন খবর হচ্ছে, কাঁপা কাঁপা শরীর নিয়ে প্রায় চার মাইল হেঁটে কলা বিক্রি করতে যা’চ্ছিলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা রেনু আক্তার। তার স্থানীয় গ্রামের বাজারে মানুষ নেই। তাই কলা বিক্রির আশায় শেষ পর্যন্ত যাচ্ছিলেন প্রায় চার মা,ইল দূরের বারহাট্টার গোপালপুর বাজারে।

রেনু আক্তার নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের বাসিন্দা।

তবে গোপালপুর বাজারে পৌঁ,ছানোর আগেই আটকে দিল পুলিশ। চলমান লকডাউনের কারণে বসানো চে,কপোস্টে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান মুখোমুখি বৃদ্ধা রেনু। প্রশ্নের জবাবে ওরেনু বেগম জানান, ঘর থেকে বের হতে না পারায় কাজকর্মও বন্ধ। তাই খাবারের অভাবে পেট চালাতে পারছেন না তিনি। শে’ষ পর্যন্ত উপায় না পেয়ে বাড়ির গাছের থেকে কলা নিয়ে বা’জারের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।

সংসার জীবনের দারিদ্র্যতার কথা জানিয়ে তিনি বললেন, এক ছেলে এক মেয়ে আ,ছে। কিন্তু তারা নিজেরাই চলতে পারে না, অভুক্ত থাকে। ওদের জীবনই তো দুর্বিষহ। যদি ওরা নিজেরা চলতে পারতো এবং তখন যদি আমার ভরণপোষণ না করতো তবে মনে কষ্ট থা’কতো। কিন্তু এখন তা নেই। নিজেরাই চলতে পারছেন না।

এ,’দিকে সবকিছু শুনে অফিসার ইন-চার্জ অসহায় বৃদ্ধা রেনু বেগমকে বললেন, মা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা মধ্যে আপনার বাইরে থাকা বা কলা বিক্রির দরকার নেই। আমি টাকা দিচ্ছি, কি দরকার তা কিনে আপনি ঘরে চলে যা,ন।

অ,ফিসার ইন-চার্জ মো. মিজানুর রহমান’র কথা শুনে তার দেয়া টাকা হাতে পেয়ে বেজায় খুশি হলেন রেনু বেগম।
সিকে জানালেন নিজের অ’সহায়ত্বের কথা। ঘরে টাকা পয়সা নেই। খাবার নেই। তাই কলা বিক্রি করে খাবার নেবেন তিনি।সিংহ ফেলিডি পরিবারের প্রাণী যা প্যা,নথেরা গণের চারটি বৃহৎ বিড়ালের মধ্যে আকারে এটির অবস্থান দ্বি,তীয়। সিংহের মূলত দুটি উপপ্রজাতি বর্তমানে টিকে আছে। একটি হল আ,ফ্রিকান সিংহ অপরটি হল এশীয় সিংহ।

আ,ফ্রিকান সিংহ মোটামুটি আফ্রিকার বি,স্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে পাওয়া গেলেও অল্প সংখ্যক ভারতীয় সিংহ শুধুমাত্র ভা,রতের গির অভয়ারণ্যে পাওয়া যায়। সংখ্যাধিক্যের দরুন সিংহ বলতে তাই আ,ফ্রিকান সিংহকেই বোঝায়।

সিংহের দলকে প্রাইড বলে। যেটির অর্থ গ,র্ব। একটি প্রাইডে দশ থেকে চল্লিশটি সিংহ থাকে।প্রত্যেক প্রাইডের নিজস্ব অ,ঞ্চল আছে। সিংহ কখনো তাদের

অ,ঞ্চলে অন্য মাংসাশী প্রাণী ঢোকা পছন্দ করে না। তাদের একটি অঞ্চল প্রায় ২৬০ বর্গকিলোমিটার (১০০ বর্গমাইল)। পু,রুষ সিংহরা খুব রাগী হয়। এরা এদের এলাকা রক্ষার্থে প্রয়োজনে সহিংস্র লড়াই করে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বোর্নিও এবং সুমাত্রা দ্বী,পপুঞ্জের বৃষ্টিবহুল বনাঞ্চলে ওরাং ওটাংদের দেখা মেলে। অ,ধিকাংশই উঁচু গা,ছপালায় বসবাস করে। ফল, পাতা, গাছের বাকল খেয়ে জীবনধারন করে। এছাড়াও, পোকামাকড়, পাখীর ডিম এবং ছোট ছোট প্রাণী খেতেও অ,ভ্যস্ত তারা। গাছের পাতায় সঞ্চিত বৃষ্টির জল খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করে এজাতীয় প্রাণীগুলো।

গাছ থেকে না তা,ড়ালে তারা ভূমিতে তেমন নামে না ও স্বা,চ্ছন্দ্যবোধ করে না। প্রাপ্তবয়স্ক ওরাং ওটাংগুলো অ,ত্যন্ত সাবধানতা ও সচেতনতা অবলম্বন করে নমনীয় পায়ের সাহায্যে এক শাখা থেকে অন্য শাখায় যাতায়াত করে। ছোটগুলো আরও সচেতনতা অবলম্বন করে।

সম্প্রতি সো,স্যাল মিডিয়ায় এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভি,ডিওটি সোস্যাল মিডিয়ায় আসার সাথে সাথে ব্যাপক সা,ড়া পেয়েছে। ঠিক তেমনি একটা ভিডিও ভা,ইরাল হয়েছে যা নেটিজনরা প্রশংসা করেছেনবনের রাজা সিংহ এই মা,নুষগুলোর কাছে অসহায়, মূ,হুর্তেই শিকার করে ফেলছে আস্ত সিংহ, আফ্ররিকার এই মানুষ গুলোর ভিডিও তু,মুল