উ,ঠানে বাবার লাশ রেখেই স’ম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব ৫ সন্তানের

407

বা,ড়ির উঠানে বাবার লাশ রেখেই সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা
নিয়ে দ্ব,ন্দ্বে লিপ্ত ৫ হয়েছেন সন্তানরা। এমনকি সম্পত্তির সুরাহা না হওয়া প,র্যন্ত লা;শ দাফনেও বাধা দেন ৪ স,ন্তান।

ম,ঙ্গলবার বিকাল ৩টায় মৃত্যু হলেও বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত বাড়ির উঠানেই পড়ে থাকে লাশ। স্থা,নীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং গণ্যমান্যরা দফায় দ,ফায় সালিশের মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ ঘ,ণ্টা পর সন্তানরা লা;শ দাফনের সিদ্ধান্তে উপনীত হন। কিন্তু ত,তক্ষণে খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ এসে ম,য়নাতদন্তের জন্য লা;শটি থানায় নিয়ে যায়। বৃ,দ্ধের সন্তানদের এমন কীর্তিতে হতবাক হয়ে গেছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ম,র্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপ,জেলার দেবগ্রাম ই,উনিয়নের দক্ষিণ চর পাঁচুরিয়ার অম্বলপুর গ্রামে। মৃত ব্যক্তির নাম ই,য়াছিন মোল্লা (৮৫)। তার ২টি ছেলে ও ৩টি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু ই,য়াসিন মোল্লা ইতোপূর্বে তার বসতবাড়ি ও মাঠের জ,মিজমাসহ মোট ৬০ শতাংশ জমি তার ছোট ছেলের নামে লি,খে দেন।

স্থা,নীয়রা জানান,
জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জে;র ধরে ইয়াছিন মো,ল্লার ৫ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে বাবলু মোল্লা, ফুলবড়ু বেগম, রাবেয়া বেগম ও মমতাজ বেগমের সঙ্গে ছোট ছেলে রহমান মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আ,সছিল। বিরোধের কারণে রহমান বাড়িতেও টিকতে পারেননি। তিনি গোয়ালন্দ পৌ,র এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

এ বিরোধের জেরেই মৃত ব্যক্তির লা,শ দাফন না করে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে দীর্ঘ ২২ ঘণ্টা পর দেবগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাফিজুল ইসলামের হ,স্তক্ষেপে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হলেও স্থা,নীয়দের খবরে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ লা;শটি উদ্ধার করে জিডি মূলে ম,য়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী মর্গে পাঠায়।

মৃত ইয়া,ছিন মোল্লার বড় ছেলে বাবলু মোল্লা, মেয়ে ফুলবড়ু বেগম, রাবেয়া বেগম ও ম,মতাজ বেগম অভিযোগ করে সাংবাদিকদের ব,লেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বাবা ছোটভাই র,হমান মোল্লার কাছে থাকেন। সেই সুযোগে সে বাবাকে ফুঁ;স;লি;য়ে তার সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়েছে।

এ নিয়ে রা,জবাড়ীর আদালতে আমরা একটা মামলাও করি। সেই মামলায় গত ৫ জুলাই আদালত বাবাকে হাজির হতে নির্দেশ দিলেও অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।

অসুস্থতার খবরে আমরা বাবাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে চাইলেও ছোটভাই আমাদের কথা না শুনে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা করায়। আমাদের ধারণা, ছোটভাই রহমান ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবাকে মেরে ফেলেছে।

এ প্রসঙ্গে মৃত ব্য,ক্তির ছোট ছেলে রহমান মোল্লা বলেন, গত শুক্রবার হঠাৎ করে বাবা অসুস্থ হলে তাকে গো,য়ালন্দে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে ডাক্তার দেখাই। এ সময় ডাক্তার কিছু টেস্ট ও ওষুধ লিখে দেন এবং বাবাকে বা,সায় রেখে চিকিৎসা করাতে বলেন। আমি সেই অনুযায়ী বাবাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা ক,রাচ্ছিলাম।

গত ম,ঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে বাবা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি তাকে গো,য়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। অ,সুস্থতাজনিত কারণে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আমার ভাই-বোনেরা আমার বি,রুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমার বাবা সুস্থ অবস্থায়-সজ্ঞানে আমার না,মে বাড়ি ও জমি লিখে দিয়ে গেছেন।

এ প্রসঙ্গে
দেবগ্রাম ইউপি চে,য়ারম্যান মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এ ঘটনা শো,নার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ঘটনাস্থলে যাই। লকডাউনের পরে তাদের জমি-জমার বি,ষয়টির সমাধান করে দেব বলে আশ্বস্ত করি। পরে স্ট্যাম্পে ৫ ভাই-বোনের স্বাক্ষর নিয়ে মৃত ইয়াছিন মোল্লার দাফনের সিদ্ধান্ত নেই। এ সময় ঘটনাস্থলে থানা পু,লিশ উপস্থিত হয়ে মৃত ব্যক্তির লা;শ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।

গো,য়ালন্দ ঘাট থানার এসআই মো. মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে উ,পস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে জিডি মূলে ময়নাতদন্তের জন্য লা;শটি রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।