শি’শু স’ন্তান ফে’লে নার্স রিমা পর’কী’য়া ডনের সাথে উদাও

133

ছয় মাসের প্রে’মের পর বিয়ে, পাঁচ বছরের সংসারে চার বছরের শি’শু স’ন্তান ফে’লে রেখে প’রকী’য়ার টানে বগুড়ার নন্দীগ্রামে গৃ’হবধু উধাও হওয়ার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। শি’শুটি বারবার মায়ের জন্য কা’ন্নাকাটি করছে।

পৌর শহরের কচুগাড়ী এলাকার আরিফ হোসেন সুমনের স্ত্রী’ রিমা খাতুন সুমনের ভাই আয়নাল হক।মা’র ঘুম আসে’না, আমি খাব না।আম্মুকে এনে দাও। আম্মু কোথায় গেছে?

প’রকী’য়ার অ’ভিযোগ করে গৃ’হবধুর স্বা’মী সুমন জানায়, পাঁচ বছরপূর্বে সুমনের সাথে ছয় মাস প্রে’মের পর উপজে’লার ছোট ডেরাহার গ্রামের এলেছার মে’য়ে রিমা খাতুনের (২৩) বিয়ে হয়।

গরীব ঘরের মে’য়ে হলেও মুখে মেকআপ লাগিয়ে বড় ঘরের মে’য়ে পরিচয়ে এ’কাধিক ছে’লের সাথে মোবাইলে প’রকী’য়া প্রে’মের সম্প’র্ক গড়ে তুলেছে বলে অ’ভিযোগ করেন স্বা’মী সুমন।

এর পেছনে শ্বাশুড়ির কু-পরাম’র্শ ছিল জানিয়ে সুমন বলেন, আমা’র শ্বাশুড়ি অর্থলো’ভী না’রী। শ্বাশুড়ি এবং স্ত্রী’র প’রকী’য়া সংক্রান্তে একাধিকবার থা’নায় অ’ভিযোগ এবং এলাকায় শালিস হয়েছে।তবুও স’ন্তানের দিকে তাকিয়ে আমি মেনে নিয়েছিলাম।

স্ত্রী’র ইচ্ছেতে পড়ালেখাও করিয়েছি। আমাকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডের মডার্ণ ক্লিনিকে আমা’র স্ত্রী’ রিমাখাতুনকে সাধারণ নার্স হিসেবে চাকুরি নিয়ে দেয়।

ক্লিনিকে যাওয়ার কথা বলেই জনৈক প’রকী’য়া প্রে’মিকের সাথে পা’লিয়েছে রিমা। স’ন্তানের কথা একটিবারও ভাবেনি।সুমনের ভাই আয়নাল হক জানান, গত ১১ জুন থা’নায় হা’রানো সংক্রান্ত জি’ডি করার পর গৃহবধু রিমা খাতুনের মা এলেছা বেগমও বাড়ি ছেড়ে পা’লিয়েছে।

এতেই প্রমাণ হয় এটি পরিক’ল্পিত ছিল। সুমনের শ্বাশুড়ি সবই জানে। প্রে’মিককে বিয়ে করতে ৬০ কিলোমিটার হেঁটে গেল তরুনী এটাকে বলা যেতে পারে ‘লাভ ইন দ্য টাইম অফ করো’না’।

দেশজুড়ে চলছে ২১ দিনের লকডাউন, এরই মাঝে প্রে’মিককে বিয়ে করতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে গেলেন এক তরুণী! এমন এক কা’ণ্ড ঘটেছে ভা’রতের অন্ধ্রপ্রদেশে।১৯ বছরের ওই তরুণীর নাম চিটিকলা ভবানী।

তার বাড়ি অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জে’লার হনুমান জংশন এলাকায়। আর প্রে’মিক সাই পুন্নায়া থাকেন এডেপল্লী গ্রামে। যে গ্রামটি ভবানীর বাড়ি থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে।

চার বছর আগে স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে দু’জনের। কিন্তু এত দিন পরিবারের কেউ কিছু জানতেন না। সম্প্রতি বাড়িতে নিজেদের স’ম্পর্কের কথা জানান দু’জনে। কিন্তু সে কথা জানার পর মোটেও খুশি হননি বাড়ির লোকেরা।

বিশেষ করে ভবানীর পরিবারের তীব্র আ’পত্তি ছিল এই বিয়েতে। সাই পুন্নায়াকে মোটেও পছন্দ হয়নি তাদের। এরপরই পা’লিয়ে বিয়ে করার সি’দ্ধান্ত নেন এই প্রে’মিক যুগল।

সেই মতো সব পরিকল্পনা করে ফে’লেন। কিন্তু বাঁধ সাধে করো’নার প্রাদুর্ভাব। প্রে’মিক যুগলের প্ল্যান সফল হওয়ার আগেই লকডাউন জারি হয়ে যায় ভা’রতজুড়ে। বি’পদে পড়লেও পিছিয়ে আসেননি ভবানী।ঠিক করেন, শেষ করেই ছাড়বেন ভালোবাসার এই যাত্রা। তাই একদিন রওনা দেন বাড়ি থেকে।