হাসপাতা’লে থাকতে চাইছিলেননা মৃত্যুর ভয় তারপরও মারা গেলেন এটিএম শামসুজ্জামান!

163

না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের বরেণ্য অ’ভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে সকাল ৯টার দিকে শেষ নিঃশ্বা’স ত্যাগ করেছেন তিনি।গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেবেল কমে গিয়েছিল হাসপাতা’লে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অ’ভিনেতা।

হাসপাতা’লে থাকতে চাইছিলেননা এটিএম শামসুজ্জামান, কা’ন্নাজ’ড়ি’ত কণ্ঠে এভাবেই বলছিলেন তার মে’য়ে কোয়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আব্বা আর নেই। আব্বা আর নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতা’লে থাকতে চাইছিলেন না। তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি।’

১৯৬৫ সালে অ’ভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র আগমন হয় এটিএম শামসুজ্জামানের। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অ’ভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি। প্রবীণ এ অ’ভিনেতা আজও দর্শকের কাছে নন্দিত। শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

সারাক্ষণ বুবলীকে এড়িয়ে গেলেন শাকিব
শাকিব খান ও শবনম বুবলী দীর্ঘ এক বছর পর দুজনের প্রকাশ্যে দেখাদেখি, অন্তত মিডিয়া তা-ই জানে। কিন্তু সারাক্ষণ যেন অদৃশ্য এক বাধার দেয়াল দুজনের দূরত্ব বাড়িয়ে রাখলো! অথচ দু’জনের রসায়ন সরাসরি দেখার জন্য মিডিয়ার উপচেপড়া ভিড় ছিল এই ক’রো’নাকালেও। বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তেজগাঁওয়ের বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়ার স্টুডিওতে ‌‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ ছবির চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তারা দুজনই যেন দাঁড়িয়ে থাকলেন নিরাপদ দূরত্বে।

প্রযোজক আরটিভির সিইও আশিক রহমানের দু’পাশে বসে ছবি প্রসঙ্গে কথা বললেন তারা। মুখে কেউ কারও নামটিও উচ্চারণ করলেন না।বুবলীর ভাষ্য, ‘এই সময়ে এসে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া এমন একটা উদ্যোগ নিয়েছে, তাদের সাধুবাদ দেওয়া উচিত।’ ছবির পরিচালক-প্রযোজকদের ধন্যবাদ জানাতেও ভুল করলেন না। শুধু তার থ্যাংকস নোটে আসেনি শাকিব খানের নাম।

একই আবহে বুবলী ছাড়া পরিচালক-প্রযোজকের প্রশংসা করলেন শাকিব খানও। চটলেনও। সম্প্রতি ১০-২০ লাখ টাকার শতাধিক ছবি নির্মাণের বেশ কিছু উদ্যোগের দিকে ইঙ্গিত করে একহাত নিলেন ঢাকাই ছবির শীর্ষ এ নায়ক। সংশ্লিষ্টদের বকা দিলেন ‘স্টুপিড’ বলেও!

বললেন, ‘বিশ্বে এখন অনেক প্রদেশের ছবি হচ্ছে। যাদের আম’রা বলি ডোমেস্টিক ফিল্ম। সেই ইন্ডাস্ট্রিগুলো এখন হলিউড-বলিউডকে ছাড়িয়ে গেছে। মালায়লাম, তামিল, কন্নড় ৩০০-৪০০ কোটি রুপির ছবি বানাচ্ছে। কত ছোট ছোট ইন্ডাস্ট্রি ছিল তারা! তারা এখন পৃথিবী কাঁপিয়ে দিচ্ছে। আমাদের দেশের ছবি এখন ১০-২০ লাখে নেমে এসেছে। ‘হোয়াট আ ফিল্ম ম্যান! কী চিন্তাধারা! তারা বলছে, ‘ভাই না খেয়ে মা’রা যাচ্ছে, তাদের কাজের সুযোগ করে দিচ্ছি।’ ওই স্টুপিড, তুমি কাজ দেওয়ার কে? সিনেমা নষ্ট করার কে? তাদের বিষয়ে কথা বলতে লজ্জা লাগে।’

দুজনার একসঙ্গে ফটোশুটের অনুরোধে পরিচালক তপু খানকে মাঝে নিয়ে এভাবেই দাঁড়ালেন শাকিব-বুবলী এই এতটাক্ষণ কথা বললেন কিন্তু কেউ-ই কারও দিকে তাকালেন না, এমনকি উপস্থিত সাংবাদিকদের অনুরোধ উপেক্ষা করে ফটোসেশনে একসঙ্গে দাঁড়ালেনও না শাকিব-বুবলী। সব সময় তাদের পাশে রাখলেন নতুন ছবির পরিচালক তপু খানকে। শুধু সাংবাদিকদের প্রশ্ন-উত্তরের জন্য কিছু সময়ের জন্য পাশে বসেন তারা।

তবে শুরু আর শেষটা প্রায়ই একই রকম হলো। অনুষ্ঠানস্থলে হাসিমুখে একসঙ্গে ঢুকলেন তারা দুজন। এমনকি অনুষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ার সময় শাকিব আগে গাড়িতে উঠলেও বুবলীর জন্য রেখে গেলেন নিজের ব্যক্তিগত সহকারীকে। যিনি বুবলীকে রক্ষা করে চললেন দর্শক ভিড় থেকে, আর নিরাপদে তুলে দিলেন গাড়ি অবধি! এদিকে পরিচালক তপু জানালেন, ২০ মা’র্চ থেকে ছবিটির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে।