বিয়ের পরেই স্ত্রী’র বড় বোনের মে’য়ের সঙ্গে শা’রীরিক স’ম্প’র্ক তৈরি করে রুবেল

172

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজে’লায় এক কি’শোরীকে অ’প’হ’রণের পর আ’ট’কে রেখে ধ’;র্ষ’;ণের অ’ভিযোগে মো. রুবেল মিয়া (৩০) নামে একজনকে গ্রে’প্তা’র করেছে পু’লিশ। রুবেল ঈশ্বরগঞ্জ উপজে’লার শি’বপুর গ্রামের মৃ’ত আজিম উদ্দিনের ছে’লে। স’ম্প’র্কে রুবেল ওই কি’শোরীর খালু।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আ’দা’লতের মাধ্যমে তাকে জে’লহাজতে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল বুধবার মানিকগঞ্জ থেকে তাকে গ্রে’প্তা’র করা হয়। পরে রুবেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে ভুক্তভোগী কি’শোরীকে উ’দ্ধা’র করে পু’লিশ।

তারাকান্দা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আবুল খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। ওসি জানান, গেলো বছরের ২০ ডিসেম্বর ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলো’ভন দেখিয়ে অ’প’হ’রণ করে রুবেল। ঘটনার প্রায় দুই মাস পর গেলো ১৫ ফেব্রুয়ারি মা’ম’লা করেন কিশোরীর বাবা। মা’ম’লার পর পু’লিশ তাকে গ্রে’প্তা’র এবং কি’শোরীকে উ’দ্ধা’র করে।

মা’ম’লার ত’দ’ন্ত কর্মক’র্তা এসআই আব্দুস সবুর জানান, রুবেল গেলো বছরের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে তারাকান্দার ডাকুয়া ইউনিয়নে বিয়ে করেন। বিয়ের দুই মাসের মা’থায় তার স্ত্রী’র বড় বোনের মে’য়েকে বিয়ের প্রলো’ভনে অ’প’হ’রণ করে। বিষয়টি কি’শোরীর পরিবার গো’প’নে মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে থা’নায় মা’ম’লা করেন।

এসআই আরও বলেন, গ্রে’প্তা’রের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল অ’প’হ’রণ ও ধ’;র্ষ’;ণের কথা স্বীকার করেছে। আজ বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ওই কি’শোরীর ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে।

যে অ’প’রা’ধে একসাথে মা, ভাই ও বোনকে হ’ত্যা করে ঘা’ত’ক আবাদ
সিলেট নগরের উপকণ্ঠের বিআইডিসি এলাকায় ছে’লেমে’য়েসহ এক গৃহবধূকে হ’ত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর সৎ ছে’লেকে ঘটনাস্থল থেকেই আ’ট’ক করা হয়। সৎ মায়ের সাথে দ্বন্দের জেরেই সৎ ছে’লে তিনজনকে কু’পিয়ে হ’ত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পু’লিশ।পু’লিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আ’ট’ক কি’শোর আবাদ হোসেন (১৭) নিজের সৎ মা ও ভাইবোনকে হ’ত্যার দায় স্বীকার করেছে।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে শাহপরান থা’নাধীন বিআইডসি এলাকার পীর মহল্লার একটি বাড়ি থেকে গৃহবধু রুবিয়া বেগম (৩০) ও তার মে’য়ের নাম মাহা বেগম (৯) এর ম’রদেহ উ’দ্ধা’র করে পু’লিশ। এসময় গুরুতর আ’হত অবস্থায় রুবিয়া বেগম’রে ছে’লে তাহসিনকে (৭) উ’দ্ধা’র করা হয়।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যায় তাহসিন। বৃহস্পতিবার রাতেই ওই বাড়ি থেকে রুবিয়া বেগমের সৎ ছে’লে আবাদ হোসেকে ছোরাসহ আ’ট’ক করে।শাহপরান থা’না সূত্রে জানা যায়, সিলেটের বিয়ানীবাজারের বাসিন্দা আবদাল হোসেনের (৪২) শাহপরান এলাকায় মুদি দোকান রয়েছে।

ব্যবসার স্বার্থে তিনি বিআইডিসি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। আবদাল হোসেন দুটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী’ তার দুই ছে’লে মে’য়েসহ বিয়ানীবাজারে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। আর ২য় স্ত্রী’ ও তার দুই ছে’লেমে’য়েকে নিয়ে বিআইডিসি এলাকার বাসায় থাকেন আবদাল। মাস ছয়েক পূর্বে নিজের প্রথম স্ত্রী’র পক্ষের বড় ছে’লে আবাদ হোসেনকে শহরের বাসায় নিয়ে আসেন আবদাল। আবাদ সৎ মায়ের সাথে থাকার পাশপাশি বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করতেন।

আবাদের বরাত দিয়ে শাহপরান থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান জানান, বিয়ানীবাজার থেকে বিআইডিসির বাসায় আসার পর থেকে সৎ মায়ের সাথে প্রায়ই ঝগড়া বেধে যেতো তার। আবাদ পু’লিশকে জানিয়েছে, সৎ মা তাকে নি’র্যা’তন করতেন। এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতেন। এই ক্ষোভ থেকে সে ছু’রি দিয়ে কু’পিয়ে তাদের হ’ত্যা করেছে।

তবে আবাদের বক্তব্য যাছাই বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সৎ মা, বোন ও ভাইকে কু’পিয়ে ঘরে আ’গু’ন ধরিয়ে দেয় আবাদ। শয়নকক্ষের খাটের তোশকে আ’গু’ন ধরিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয় সে। লা’শ পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য আবাদ এমনটি করতে পারে বলে ধারণা পু’লিশের।

পরে আ’গু’ন দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে আবাদকে আ’ট’ক করে পু’লিশকে খবর দেন। পু’লিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে বিছানা থেকে লা’শ উ’দ্ধা’র করে হাসপাতা’লে পাঠায়। এসব ঘরের অনেক আসবাব পুড়ে গিয়েছিলো। পু’লিশ আবাদকে ধরে থা’নায় নিয়ে আসে।

এদিকে, স্ত্রী’ ও দুই সন্তানকে হারিয়ে আবদাল হোসেনের অবস্থা পাগলপ্রায়। তিনি কেবল বিলাপ করে চলছেন। নিজের ছে’লের এমন কা’ন্ডে বিস্মিত আবদাল কেবল বলে চলছেন- ‘তারচেয়ে আমাকেই মে’রে ফেললো না কেনো’।

সিলেটের শাহপরান থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, ম’রদেহগুলো এখনও হাসপাতা’লে আছে। শনিবার ময়না ত’দ’ন্ত হবে। এরপর ম’রদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় এখনো মা’ম’লা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।