কাদের মির্জার নামে হ’ত্যা মা’ম’লা, পৌরভবন ঘিরে রেখেছে পু’লিশ

796

কোম্পানীগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সং’ঘ’র্ষে সিএনজি চালক আলা উদ্দিনের মৃ’ত্যুতে বসুরহাট পৌর মেয়র কাদের মির্জাকে আ’সা’মি করে মা’ম’লা করা হয়েছে। এছাড়া কাদের মির্জার পৌরভবন ঘিরে রেখেছে পু’লিশ ও রে’ব সদস্যরা। এতে বসুরহাট এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মা’র্চ) বিকেল থেকে পৌরভবনটি ঘিরে রেখেছে পু’লিশ ও রে’ব। পরে সন্ধ্যায় সিএনজি চালক আলা উদ্দিনের ভাই বাদি হয়ে মা’ম’লা’টি করেন।মা’ম’লায় কাদের মির্জাকে ১ নম্বর এবং তার ভাই সাহাদত হোসেন ও একমাত্র ছে’লে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাদের মির্জা পৌরভবনে অবস্থান করছেন।কোম্পানীগঞ্জ থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পুরো এলাকায় অ’তিরিক্ত পু’লিশ মোতায়েন করা রয়েছে।

এর আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ বিবদমান কাদের মির্জা ও বাদল সম’র্থিত দুই গ্রুপের দফায় দফায় হা’ম’লা সং’ঘ’র্ষে সাংবাদিকসহ দুই জন নি’হ’ত হওয়ায় পর দোষীদের ছাড় না দিতে নির্দেশ দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।এদিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজে’লা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে (৫০) গ্রে’প্তা’র করেছে পু’লিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ মা’র্চ) বিকেলে নোয়াখালী প্রেসক্লাব এলাকা থেকে সাদা পোশাকে একদল পু’লিশ বাদলকে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে জানান তার ছোট ভাই রহিম উল্যাহ বিদ্যুত। পরে রাত পৌনে ৮টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পু’লিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন।

ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে গণভবনে ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী
সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ মা’র্চ) দুপুরে ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতাকে গণভবনে ডাকেন সংগঠনের অ’ভিভাবক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরপরই সংগঠনকে গতিশীল করতে কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে নতুন কমিটি এবং জে’লা কমিটির বিষয়েও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে সম্প্রতি ছাত্রলীগের কয়েকটি জে’লা কমিটিতে অস্বচ্ছতা ও সমন্বয়হীনতার এ দুই নেতার কার্যক্রমে দলের হাই কমান্ড অসন্তোষের কারণে তাদেরকে গণভবনে ডা’কা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশেষ করে গেল সপ্তাহে রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অনেকটা নিষ্ক্রিয়। এছাড়া কয়েকদিন আগেই জে’লা ছাত্রলীগের কমিটিতে ও অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও সমন্বয়হীনতার কারণেই রাজশাহীতে বিএনপির প্রোগ্রামের দিন ছাত্রলীগের ভূমিকা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ছিল।

ওই সমাবেশে বিএনপির নেতা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু আরেকটি ১৫ আগস্ট ঘটনার সম্ভাবনা নিয়ে তার দেয়া বক্তব্যের পরও ছাত্রলীগ থেকে তেমন কোন প্রতিবাদ দেখা যায়নি। এসব সামগ্রিক বিষয়ের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলনের বিষয় নিয়েও গণভবনে ডা’কা হয়েছিল।

কিন্তু ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সময় সংবাদকে বলেন, নেত্রী কেন্দ্রীয় সম্মেলনের বিষয়ে কোন নির্দেশ দেননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা সম্মেলন নিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পরপরই কমিটি গঠন ও জে’লা পর্যায়ের কমিটির বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। আর মা’র্চ মাসের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন নেত্রী।