ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবাই রাস্তায় নেমে আসুন মমিনুল হককে তালা ভেঙ্গে নিয়ে আসুন

2073

ধর্মপ্রাণ মুসলমান সবাই রাস্তায় নেমে আসুন মমিনুল হককে তালা ভেঙ্গে নিয়ে আসুন

হেফাজত ইসলামের নেতা মামুনুল হক কে ফুলিশ লীগ গ্রেপ্তার করেছে এবং সকল মুসলমানদের কে আহবান জানাচ্ছে যে সবার রাস্তায় নেমে আসুন এবং জেলের তালা ভেঙ্গে মামুনুল হককে বের করে নিয়ে আসুন তা না হলে এই মাফিয়া সরকার মমিনুল হককে এবং শেষ করে দিবে এবং হেফাজতে ইসলামকে দমন করে দিবি তারা চায় বাংলাদেশকে ভারতের রাষ্ট্রপতি

কেননা মাফিয়া সরকারের জানে হেফাজত ইসলামকে দমন করা যায় তাহলে আমাদের বাংলাদেশে আর কোনো মুসলমানের নাম থাকবে না তাই হিন্দুদের পরিণত করে এবং ভারতের মহারাষ্ট্র পরিণত করবে তারা এটাই মূল লক্ষ্য তাই এখনো সময় আছে সবাই না রাস্তায় নেমে আসুন এবং মন্দ কে বের করে নিয়ে আসুন

মমিনুল হকের আহ্বান সবাই রাস্তায় নেমে আসুন আপনাদের অধিকার আপনার আদায় করুন তা না হলে বাংলাদেশে আর মুসলমান থাকবেনা মাফিয়াদের নিমন্ত্রণ করবে এবং ভারতের রাষ্ট্রপতি তো হবে

দেশব্যাপী শেখ হাসিনার কথিত লকডাউন চলছে। লকডাউন কঠোর হলেও করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এছাড়া লকডাউনের মধ্যে চলছে বিরোধীমত দমনের কৌশলও। মোদী ‍বিরোধী আন্দোলনের পর থেকে ক্ষমতাসীনদের নির্দেশে বিভিন্ন সময় গ্রেফতারের মহড়া চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

দেখা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাজধানী থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতা জুবায়ের আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া সারাদেশে বিভিন্ন জায়গা থেকে হেফাজতসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছে। মোদিবিরোধী আন্দোলনের পর থেকে এ পর্যন্ত লকডাউনের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী। তার মধ্যে বিএনপির ১৭৯ জন, জামায়াতের ৮০ জন, হেফাজত ইসলামীর ২০০ ও ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদের এখন পর্যন্ত ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে শেখ হাসিনার এই কঠোর লকডাউন কি আসলেই করোনা নিয়ন্ত্রণের জন্য নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে?

বিশ্লেষকরা বলছেন-করোনার নামে বিরোধীমত দমন করে ও হেফাজতে ইসলামকে নিয়ন্ত্রণে আনতেই সরকার তড়িঘড়ি করে লকডাউন ঘোষণা করেছে। দেখাগেছে, হেফাজত ইসলামের আন্দোলন সক্রিয় হলে মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয় সরকার। এপরপর মসজিদে সমাগম বন্ধসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেয় যা স্পষ্ট হয়ে যায় কি উদ্দেশ্যে এই লকডাউনের ঘোষনা।

দেখা গেছে, মামুনুল হককে নিয়ে নাটক মঞ্চয়ানের পরই সরকার কোনো প্রকার পরিকল্পনা ছাড়াই হঠাৎ করে সারাদেশে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে। মামুনুল হককে নিয়ে সরকারের পরিকল্পিত নাটকে শুধু হেফাজত নেতাকর্মী নয়, সাধারণ মানুষও সরকারের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে হেফাজত নেতাকর্মীরা প্রতিবাদে বিক্ষোভও শুরু করেছিল। এই পরিস্থিতি দেখেই সরকার লকডাউন ঘোষণা করে।

এছাড়া লকডাউন ঘোষণা দিয়েই সরকার সারাদেশে বিশেষ করে যেখানে হেফাজতের শক্ত অবস্থান রয়েছে সেখানের থানাগুলোতে সরকার মেশিনগান বসিয়েছে। এমনকি রাজধানীতেও বেশ কিছু জায়গায় মেশিনগানের সাথে বাঙ্কারও নির্মাণ করা হয়েছে। এসবের মূল টার্গেটই হল-হেফাজতের আন্দোরন দমানো।

অন্যদিকে লকডাউন ঘোষণার পরই সরকার সারাদেশের মসজিদগুলোতে নামাজের আগে ও পরে সকল প্রকার জমায়েত নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। জানা গেছে, উদ্দেশ্যে একই-যাতে হেফাজতের লোকজন কোনো প্রকার মিছিল করতে না পেরে। এর পরপরই সরকার হেফাজতের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে নেমেছে।

সূত্র বলছে, বিরোধীমত দমনে গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে কথিত জিজ্ঞাসাবাদের নামে অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। মামুনুল হক ও আল্লামা জুনাযেদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পবিত্র রমজান মাসে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনার নির্যাতন থেকে রেহায় পাচ্ছে না। লকডাউনের নামে সরকার যেন ক্র্যাকডাউন চালাচ্ছে। ভয়াবহ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কেউ যাতে টুঁ শব্দ উচ্চারণ করতে না পারেন, সে জন্যই নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালানোকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে সরকার। দেশকে বিরোধীমত দমন করাই যেন শাসকগোষ্ঠীর এখন প্রধান লক্ষ্য।