আমার শ্বশুরবাড়ি রাষ্ট্র ভারতের অবস্থা ভালো না তাই উচিত বাংলাদেশের মানুষ যাইয়া একটু সাহায্য করা বললেন প্রধানমন্ত্রী

592

আজ বুধবার এক অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন আমাদের বন্ধু রাস্তার অবস্থা ভালো না তাই উচিত আমাদের বাংলাদেশের জনগণ যাইয়া একটু হেল্প করা তা না হলে আমার সমস্যা হবে
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওবাদুল কাদের ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ উপরাষ্ট্র মন্ত্রীর

এই সময় অবাদুলকাদের বলেন আমাদের নেত্রী যা বলছে সঠিক বলছি আমাদের উচিত আমাদের ছাত্রলীগ এবং বাংলাদেশ জনগণ যাইয়া তাদেরকে সাহায্য করা এ সময় আরো বলেন হাছান মাহমুদ যে আমাদের নেত্রী যা বলছে তাই সঠিক বলছে আমার আমাদের দলের লোক যাইতে হবে না দেশের মানুষ যারা আমাদের নেত্রী কে ভালোবাসে তারা অবশ্যই সবার ভারতে যাবে মানুষকে সাহায্য করবে

এসোনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আরো বলেন আমাদের নেত্রী বলছে তাই উচিত দেরি না করে বাংলাদেশ জনগণ ভারতে যাওয়ার উপস্থিত হন অতিশিগ্রই তাদেরকে বিমান করে পাঠানো হবে এটা নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না এবং এটা বুঝতে হবে যা আমাদের আত্মীয়দের

আজ এক অনুষ্ঠানে হাছান মাহমুদ বলেন বাংলাদেশে মুসলমানদেরকে আমরা দমন করতে পারবো না কারণ আমরা মুসলমান কষ্ট লাগবে তাই ভারত থেকে আমরা হিন্দুদেরকে এনে তাদেরকে দমন করবো এটা নিয়ে লেখালেখি করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে

বাংলাদেশ যেত মুসলমান আছে তাদেরকে সবাইকে রিমান্ডে নিয়ে এবং রিমান্ড পালিত করবে ভারতের গোয়েন্দারা তারা নির্যাতন করলে আরে মেন্ট পালন করলে এটা নিয়ে কেউ মুখ খুলতে পারবেনা কারণ আমরা দোয়া করি আমাদের ভিতরে আছে

সরকারের কথিত লকডাউন আর হেফাজত নেতা মামুনুল হকের ঘটনায় চাপা পড়ে গেল নারায়ণগঞ্জে লঞ্চ ডুবে ৩৫ জন মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা। এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটলেও এটা নিয়ে সরকারের কোনো মন্ত্রী-এমপি কথা বলছেন না। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে-বিষয়টিকে তারা মাটিচাপা দিতে চাচ্ছেন।

তারপর ফলাও করে প্রচার করছে না গণমাধ্যমগুলোও। কেন এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটলো? লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়া সেই কার্গো জাহাজটির মালিক কে? জাহাজটি কি অনুমোদন প্রাপ্ত? চালকের কি লাইসেন্স ছিল? এতগুলো মানুষ মারা যাওয়ার পরও মামলা হল না কেন? মালিককে এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? জাহাজটি কেন আটক করা হয়নি? সরকার এসব বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না কেন? একটি পত্রিকা ছাড়া দেশের কোনো গণমাধ্যই এসব প্রশ্ন তুলছে না।

জানা গেছে, ডুবে যাওয়া এমএল সাবিত আল হাসান নামের লঞ্চটিকে ধাক্কা দিয়েছিল শেখ পরিবারের সন্তান বাগেরহাট-২ আসনের এমপি সাহরান নাসের তন্ময়ের মালিকানাধীন কার্গো জাহাজ এমভি এসকেএল-৩। জাহাজটি গত মার্চ মাসে মাত্র নিবন্ধন পেয়েছে। নৌপথে চলাচলের জন্য এখনো অনুমোদন পায়নি। ক্ষমতার প্রভাবে অনুমোদন ছাড়াই জাহাজটি চলাচল শুরু করে।

সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হল-এই জাহাজ চালানোর মতো যোগ্যতা সম্মপন্ন চালকও ছিল না। আইন অনুযায়ী- দেড় হাজার ব্রেক হর্স পাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের জাহাজ চালানোর জন্য ইনল্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ার অফিসার লাগে। সেখানে এমপি তন্ময় তার জাহাজের জন্য একজন প্রথম শ্রেণির মাস্টার নিয়োগ দিয়েছিল।

এই দুর্ঘটনার পর ডুবে যাওয়ার লঞ্চের মালিক আলাল হোসেন মামলা করতে গেলেও মামলা নেয়নি পুলিশ। বরং একজন এস আই উল্টো তাকে আটক করার হুমকি দিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাটা ধামাচাপা দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকেই চেষ্টা করা হচ্ছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই নৌথানা মামলা নেয়নি। আর এমপি সাহরান নাছের তন্ময় শেখ পরিবারের সন্তান হওয়ায় পুলিশও এনিয়ে কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না।